Sarmin Jaka payachi Bilomba (শারমিন যাকে পেয়েছি বিলম্বে)

মনটা ভালো নাই
- কেন
- এমনি, কোথাও চলে যেতে ইচ্ছে হচ্ছে
-কোথায় যাবে
-সমুদ্র দেখতে
-কক্সবাজার?
-যাবেন?
-যাওয়া যায়, কিন্তু
-কিন্তু কি,
-তুমি আর আমি, আর কেউ নেই
-আর কে থাকবে, গেলে আমরা দুজনই যাবো
-কেউ দেখে ফেললে?
-এখান থেকে সাবধানে গেলেই হলো, ওখানে তো স্বাধীন
-হোটেল বুকিং দেবো কিভাবে, আলাদা রুম দিতে হবে
-এখন আলাদাই দেন, পরে ওখানে গিয়ে দেখা যাবে
এভাবেই হঠা কক্সবাজার যাবার পরিকল্পনা হয়ে গেল শারমিনের সাথেশারমিন আমাকে মামা ডাকে, বন্ধুর ভাগ্নীপাশের অফিসে চাকরী করেআমাকে খুব পছন্দ করেআমিও করিফোনালাপ হয় প্রায়ইসেই করে প্রতিদিনভালোলাগার কথা বলে, কিন্তু ভালোবাসার কথা বলতে সাহস পায়নি এখনোমামা ডাকে তো! আমি ওকে প্রথম যখন দেখেছি বন্ধুর বাসায় তখন সে স্কুলে পড়ে, ক্লাস টেনে বোধহয়সেই দৃশ্যটা আমার এখনো চোখে ভাসেসাদা একটা কামিজ পরনে লকলকে সদ্য যৌবনপ্রাপ্ত কিশোরী খোলা ছাদে উচ্ছল ছোটাছুটি করছেসেই বয়সে মেয়ে অনেক দেখেছি, কিন্তু ওই মেয়েটা আমার চোখে পড়লো তার বুকে সদ্য জেগে ওঠা দুটি সুপারীর কারনেকোন কোন মেয়ের এই জিনিসটা খুব ভালো পারেতারা জানে তাদের দেহ সম্পদকে কীভাবে পুরুষের সামনে উপস্থাপন করতে হবেকাঁচা বয়স থেকেই প্রথম দেখাতেই মাথা এবং চনু দুটোর মধ্যেই টাং টাং করে আঘাত করতে থাকে দৃশ্যটাএত টাইট, এত টাইট, এত গোল, এত খাড়াওড়না পরে নি, তার উপর কামিজটা এত টাইট কিশোরী স্তন দুটো সাদা কামিজ ভেদ করে সুস্পষ্টভাবে ফেটে বেরিয়ে আসতে চাইছেব্রা পরার বয়স হয়নি তখনোশেমিজও আছে কিনা সন্দেহ কাচা কাচা চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে হয়েছিলপ্রেমট্রেম কিছু জাগেনিশুধু কাম শুধুই কামভাব ছিল বেশ কয়েকদিনহাত মেরে নিজেকে হালকা করার চেষ্টা করেছিকিন্তু শারমিন ব্যাপারটা জানে নাসে আমাকে তখন আমলেই নেয়নি, নেয়ার মতো পরিবেশও ছিল নাতখন ওর বয়স ১৫ আর আমার বয়স ২২, এখন ওর বয়স ২৬ আমার বয়স ৩৩এতদিন পর ওকে দেখে বোঝার চেষ্টা করলাম আগের কিছু অবশিষ্ট আছে কিনাকিছু কিছু আছে কিন্তু সেই ফিগার আর নেইযৌবন এমন এক জিনিস, সময়ের কাজ সময়ে না করলে পরে তার কোন মূল্য নেইআশাকে, কুলসুমকে, শারমিনকে, ইপুকে যে চরম যৌবনোদ্ধত বয়সে দেখেছি, সেই বয়সে তাদের যৌবনকে কেউ হয়তো ভোগ করেনি, তাহলে সেই সৌন্দর্য পুরোটাই অপচয়তাদের যখন বিয়ে হয়েছে তখন একেকজনের ফিগার নষ্ট হয়ে গেছে, দুধ ঝুলে গেছেফলে কারো কাজেই আসলো না আমি সাহস করলে এদের সবাইকে তাদের চরম সময়ে ভোগ করতে পারতামযাইহোক এতদিন পর শারমিন যখন আমার প্রতি আকর্ষিত হলো তখন মনে মনে বলি, এলেই যদি এত দেরী করে এলে কেনতখন পেলে কী দারুন ব্যাপারই না হতো
এখনো শারমিনের সাথে খোলামেলা কোন কথা হয়নিইঙ্গিতে বোঝানো হয়শারমিন প্রায়ই বলে, মামা আপনি খুব সুন্দরআমিও বলি ওকেএর বেশী আগাই নামামা তোবন্ধুরা জানলে কী মনে করেকক্সবাজারের প্ল্যানটা সাহস করেই নিয়ে নিলামকারন ওকে খাওয়ার আর কোন সুযোগ এখানে মিলবে নাঅফিসের পিকনিকের নাম দিয়ে কদিন ওখানে কাটিয়ে আসিসেও বোধহয় মনে মনে তাই চায়, কিন্তু বুঝতে পারছি নাকারন সে যদি শুধু প্রেমে পড়ে তাহলে খাওয়া যাবে নাপ্রেমের সাথে তারও যদি কামের চিন্তা থাকে তাহলে খাওয়ার উসব লেগে যাবেআমার অবশ্য চোদা ছাড়া অন্য কোন উচ্চাভিলাস নাইভালোবাসা টাসা আমি শিকেয় তুলে রেখেছি
কক্সবাজার গিয়ে দুজন আলাদা আলাদা রুমে উঠলাম পাশাপাশিকাপড় ছেড়ে গোসল করে আমি ওর রুমে গেলামখাওয়াদাওয়া সারলাম একসাথে, রুমেইরুমের মধ্যে দুটো বিছানাও গিয়ে একটা বিছানায় শুয়ে পড়লো, আমি অন্য বিছানায়দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে যাচ্ছেশীত শীত লাগছেকিন্তু এ বিছানায় কম্বল নাই, ওর বিছানায় আছে
-মামা ঘুমাবেন?
-হ্যা, শীত লাগছে
-আপনার কম্বল নাই
-না
-একটা দিছে, আপনি চাইলে একটু শেয়ার করতে পারেন এটা
-না থাক, আমি বরং আমার রুমে গিয়ে শুই, তুমি রেষ্ট করো, বিকেলে বেরুবো, বীচে
-চলে যাবেন আমাকে একা রেখে?
-বিকেলে আসবো তো
-বাহ এজন্যই আমরা কক্সবাজার এসেছি, আলাদা থাকবো? না মামা আপনি আমার পাশে বসেন
ওর বিছানায় গিয়ে বসলামপাশে বসেই শরীরে শিহরন পেলাম একটাএত কাছাকাছি কখনো বসিনিওর পরনে শাদা একটা কামিজসেই প্রথম দৃশ্যটা ভেসে উঠলোএখন ওর পড়ন্ত যৌবন আমার সামনেপড়ন্ত কী? ২৬ এমন কি বয়সএখনো ওর ত্বক টানটান শারমিন আধশোয়াবুকের ওড়না ফেলে দিয়েছে, ইচ্ছে করেই বোধহয়টাইট ব্রা' ভেতর থেকে ফুলে বেরিয়ে আসছে স্তনযুগলসাদা কামিজ কিছুই রোধ করতে পারছে নাআমার হাত ধরলো সে, হাতে চুমু খেলআরেক হাতে আমার গলা জড়িয়ে টানলো বললো, আসেন আমরা একটা ঘুম দেইআমি দেরী না করে ঢুকে গেলাম কম্বলের ভেতর কম্বলের উষ্ণতা পাওয়ামাত্র কোথায় উবে গেল লজ্জা-সংকোচ-মামা, ডান হাতটা পিঠের উপর ঘুরিয়ে জড়িয়ে ধরলাম ওকে, এক পা তুলে দিলাম ওর রানের ওপর মুহুর্তের মধ্যে দুটি ক্ষুধার্ত কামার্ত ঠৌট পরস্পরকে খুজে পেল এবং সেটে গেল পরস্পরের সাথেআমি ওর নরোম ঠোট জোড়া চুষতে চুষতে কামরাজ হয়ে যাবার উপক্রমএত সেক্সী ওর চুম্বনডানহাত দিয়ে বামস্তনটা ধরলাম, অনেক বড় হয়ে গেছে, টিপাটিপি শুরু করলামব্রা সহ টিপতে টাইট লাগছে স্তন দুটোকামিজ আর ব্রা খুলে স্তন দুটো বের করে আনলাম, দেখি আধা কেজির মতো হবে একেকটাঝুলে গেছে কিছুটাকিন্তু ত্বক টানটানআর কেউ এই স্তনদুটো খেয়েছে কিনা শিওর নাখেয়েছে হয়তো, কারন গত দশ বছর ওর মতো সেক্সী একটা মেয়েকে কেউ চুদেনি এটা অবিশ্বাস্যচোদা খাওয়া মেয়েকে চুদতে অনুশোচনা লাগে নাআমি ওর স্তনে মুখ দিলাম, চুষতে লাগলামঅনেক দিনের ক্ষিদা ওর দুধের জন্য, কামড়ে কামড়ে খেলামওর সোনায় পানি চলে এসেছেআমাকে অনুনয় করতে লাগলো দেরী না করে লাগানোর জন্যকিন্তু আমি সমস্যায় পড়লাম, কনডম আনিনিবাচ্চা লেগে গেলে এই মেয়ে এসে বলবে তোমার সন্তানের স্বীকৃতি দাও, বিয়ে করো আমাকেকিন্তু এরকম মাগীকে তো আমি বিয়ে করবো না, ওকে শুধু আমি চোদার জন্যই চাই, সারাজীবন নয় উত্তেজনা চরমে উঠলে কনডম ছাড়াই ঢুকিয়ে দিলামবিনা বাধায় ফসফস করে সোনার ভেতর ঢুকে গেল আমার ৬ ইঞ্চি লম্বা দন্ডজীবনে প্রথম মেয়ে চুদছি, তবু সোনার অবস্থা দেখে মনে হলো, এই মেয়ে বহু চোদা খেয়েছে আগেআমি ঠাপ মারতে লাগলাম উপর থেকেতার পর ওকে ডগি ষ্টাইলে লাগালাম আবারমারতে মারতে চরম অবস্থায় গেলে ধোনটা টেনে বের করে ফেললাম ওর সোনা থেকে, তারপর মাল ফেললাম ওর পাছার ওপরওর বাদামী পাছাদুটি ভরে গেল আমার ল্যাটল্যাটে ঘি রঙের বীর্যেসে বললো,
-মামা, আপনি দারুন খেলেন
-তুমিও, রাতে আমরা আরো খেলবো
-রাতে না, মামা আপনি আমাকে সারাক্ষন চোদেন, আমার খিদা মিটে নাই
-এখনতো মাল শেষ, এটা তো দাড়াবে না
-দাড়াবে
-কীভাবে
-আমার যাদুতে, আপনি ধুয়ে আনেন ভালো করে
-কী করবে তুমি,
-এতক্ষন আপনি খেয়েছেন আমাকে, এখন আমি খাবো আপনাকেওটা চুষতে চুষতে খাড়া করে ফেলবো পাচ মিনিটের মধ্যে, তারপর আপনি আবার চুদবেন আমাকে